Hydrochlorothiazide (HCTZ) (হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইড)
ডা. সঞ্জয় আনবু, MBBS-এর লেখা ও চিকিৎসাগত পর্যালোচনা
বাংলা অনুবাদ পর্যালোচিত: 2026-11-05ওষুধের শ্রেণি: ডাইইউরেটিক (প্রস্রাবের ওষুধ)
HCTZ রক্তচাপের জন্য ব্যবহৃত একটি থায়াজাইড প্রস্রাবের ওষুধ, প্রায়ই কম্বিনেশন ট্যাবলেটে থাকে। এটি ডাইইউরেটিক (প্রস্রাবের ওষুধ) গোষ্ঠীর ওষুধ। ডাইইউরেটিক শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণ ও জল বের করতে সাহায্য করে, ফলে রক্তচাপ ও ফোলা কমে।
Hydrochlorothiazide নিয়ে MedDroid-কে জিজ্ঞাসা করুন →এটি প্রেসক্রিপশন নয় — এখানে কোনো ডোজ দেখানো হয়নি। আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টকে জিজ্ঞাসা করুন।
এটি কী কাজে লাগে
- উচ্চ রক্তচাপ
- শরীরে জল জমা (oedema)
- প্রায়ই অন্য রক্তচাপের ওষুধের সঙ্গে মিলিয়ে
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
- বেশি প্রস্রাব হওয়া
- মাথা ঘোরা
- পটাশিয়াম বা সোডিয়াম কমে যাওয়া
- ইউরিক অ্যাসিড (গেঁটে বাত) বা রক্তে সুগার বেড়ে যাওয়া
খাওয়ার আগে — সতর্কতা
- সকালে খান, যাতে রাতে প্রস্রাবের জন্য উঠতে না হয়
- রক্তে লবণ (salts), কিডনির কার্যক্ষমতা ও সুগার পরীক্ষা করা হয়
- গেঁটে বাত, ডায়াবেটিস বা sulfa অ্যালার্জি সম্পর্কে ডাক্তারকে জানান; কড়া রোদ থেকে ত্বক রক্ষা করুন
এমন হলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার দেখান
- হঠাৎ চোখে ব্যথা বা ঝাপসা দেখা (বিরল — জরুরি)
- তীব্র মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি বা পেশিতে টান (লবণের ঘাটতি বা জলশূন্যতা)
- তীব্র র্যাশ বা মুখ ফুলে যাওয়া (জরুরি)
ভারতে প্রচলিত ব্র্যান্ড নাম (উদাহরণ)
- Aquazide
- Hydrazide
শুধু চেনার জন্য — কোনো ব্র্যান্ডের সুপারিশ নয়। একই ওষুধ ও একই মাত্রার ব্র্যান্ডগুলো একইভাবে কাজ করে। ব্র্যান্ড নাম দেশভেদে আলাদা — প্যাকেটে ওষুধের (জেনেরিক) নাম দেখুন।
এটি প্রেসক্রিপশন বা রোগনির্ণয় নয়। MedDroid Hydrochlorothiazide সম্পর্কে শুধু সাধারণ তথ্য দেয়। এটি আপনাকে পরীক্ষা, রোগনির্ণয় বা ওষুধ লিখে দিতে পারে না। ওষুধ শুরু, বন্ধ বা বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টকে জিজ্ঞাসা করুন। জরুরি অবস্থায় সঙ্গে সঙ্গে 108 বা 112-এ ফোন করুন।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
Hydrochlorothiazide খাওয়ার সময় ত্বক রক্ষা করতে হবে কেন?
এটি ত্বককে সূর্যালোকের প্রতি বেশি সংবেদনশীল করতে পারে, আর দীর্ঘদিন ব্যবহারের সঙ্গে কিছু ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ার যোগ পাওয়া গেছে। রোদ থেকে সুরক্ষা নিন এবং নিজের ত্বক পরীক্ষা করুন।
Hydrochlorothiazide থেকে কি গেঁটে বাত হতে পারে?
এটি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে কারও কারও গেঁটে বাত শুরু করাতে পারে। কোনো গাঁট ব্যথাসহ ফুলে গেলে ডাক্তারকে জানান।
রক্ত পরীক্ষা কেন দরকার?
এটি পটাশিয়াম ও সোডিয়াম কমাতে এবং রক্তে সুগার বাড়াতে পারে, তাই মাঝে মাঝে এগুলো পরীক্ষা করা হয়।